পর্যটন পুনরুদ্ধারে অভিবাবক হিসেবে সরকারকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে

Share on Facebook

কভিড-১৯ বনাম গোটা বিশ্ব। এ যুদ্ধের শেষ কবে কেউ জানে না। তাই বলে বিশ্ব কিন্তু থেমে নেই। মানুষ নিজেকে বাঁচানোর পাশাপাশি তার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকেও বাঁচানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। এ যাত্রায় বিশ্বের একক সর্ব বৃহৎ শিল্প পর্যটনও যোগ হয়েছে। যেখানে গোটা বিশ্ব সম্মিলিতভাবে করণীয় নির্ধারণ করে কাজ করছে। এতে স্বাস্থ্যের জন্য যেমনি “বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা” তেমনি পর্যটনের জন্য “জাতিসংঘ বিশ্ব পর্যটন সংস্থা” বা ইউ এন ডাবলু টি ও নেতৃত্ব দিচ্ছে। যেজন্য গোটা বিশ্ব তাদের তৈরী দিক নির্দেশনা অনুসরণ করছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয় বিধায় তাকেও তার পর্যটন শিল্পের জন্য এই আপোদকালীন সময়ে যা যা করার তাই করতে হবে। আর একাজে সরকারী-বেসরকারী উভয় খাতের দায়িত্ব থাকলেও অভিবাবক হিসেবে সরকারকেই অগ্রণী ভূমিকা নিয়ে তার দায়িত্ব পালন করতে হবে যোগ্যতার সাথে।

তাই, ইউএনডাবলুটিও তার সদস্য দেশগুলো; বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা; আইসিএও; আইএমও এবং জাতিসংঘ অনুমোদিত বেসরকারী খাতের সদস্য; এসিআই; সিএলআইএ; আইএটিএ এবং ডাবলুটিটিসি এর সাথে ব্যাপক আলোচনা চালিয়ে যে গাইড লাইন তৈরী করেছে তারই আলোকে আমাদের সরকারী এবং বেসরকারী খাতকে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে হবে। এক্ষেত্রে অবশ্য আমাদের জন্য অতি প্রয়োজনীয় এবং বাস্তবসম্মত বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনায় নিয়ে তা বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করতে হবে।

ইউএনডাবলুটিও তাদের দিক নির্দেশনায় যে তিনটি বিষয়কে মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচনায় নিয়েছে তা হলো একঃ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং প্রভাব নিরসন, দুইঃ উদ্দীপনামূলক এবং গতিময় পন্থায় পুনরুদ্ধার কাজ; তিনঃ ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ। অতএব, সরকারকে এই বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে বেসরকারী খাতকে সাথে নিয়ে পর্যটন পুনরুদ্ধার কার্যক্রম চালাতে হবে। মনে রাখতে হবে দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, দারিদ্র দূরীকরণ এবং টেকসই উন্নয়নের প্রয়োজনেই সম্ভাবনাময় পর্যটন শিল্পকে রক্ষা করতে হবে। তাই পর্যটন সম্পদের পাশাপাশি জনসম্পদ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকেও বাঁচাতে হবে এবং কাজে লাগাতে হবে। এজন্য সরকারকে অন্তত এই আপোদকালীন সময়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যেসব পদক্ষেপ নিতে হবে তা হলোঃ
• “জাতীয় পর্যটন পুনরুদ্ধার কমিটি” (এন টি আর সি) গঠন করা। এই কমিটিতে প্রতিনিধিত্ব থাকবে পর্যটন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, সরকার অনুমোদিত (টি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত) সব কয়টি পর্যটন সমিতি, বিমান কোম্পানীগুলোর সমিতি, পর্যটন শিক্ষণ ও প্রশিক্ষণ সমিতি এবং গণমাধ্যম। তবে, কমিটির একজন প্রতিনিধি সদস্যের অবশ্যই পর্যটন বিষয়ে পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা এবং পরামর্শ দেয়ার ক্ষমতা থাকতে হবে। কমিটি প্রয়োজনে যে কোন মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধিকে এবং কোন প্রবীন ও অভিজ্ঞ পর্যটন ব্যক্তিত্বকে কমিটির অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে।
• আপোদকানীন সময় এবং পরবর্তীতে পর্যটন কার্যক্রম শুরু করার লক্ষে দুর্যোগ মোকাবেলা ও ব্যবস্থাপনাকে প্রাধান্য দিয়ে একটি স্বল্পমেয়াদী ‘জরুরী পর্যটন পরিকল্পনা’ প্রণয়ন করে সেই মোতাবেক যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনার ব্যবস্থা করা।
• পর্যটন প্রশাসনকে জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে আরো বেশি সক্রিয় ও সহায়তা দেয়ার লক্ষে ‘বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন’কে পর্যটন পণ্য উন্নয়ন ও মানব সম্পদ উন্নয়ন তথা প্রশিক্ষণ এবং ‘বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ড’কে পর্যটন পণ্য বিপণন, প্রচার এবং বেসরকারী খাতের সাথে যোগাযোগ রক্ষার দায়িত্ব অর্পন করা।
• পর্যায়ক্রমে উল্লেখযোগ্য পর্যটক গন্তব্যগুলোতে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের দায়িত্বে ও নেতৃত্বে অনতিবিলম্বে দায়িত্বশীল পর্যটনের যে সাত অংশিদার রয়েছেন তাদেরকে নিয়ে কমিটি গঠন করে দায়িত্বশীল, টেকসই ও পরিবেশ বান্ধব পর্যটন নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করা।
• স্থানীয় অর্থনীতিতে ভুমিকা রাখা এবং সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষার লক্ষে দায়িত্বশীল ভ্রমণ সম্পর্কে জানান দেয়ার জন্য ব্যাপক প্রচার-প্রচারণার ব্যবস্থা করা।
• যেহেতু অভ্যন্তরীণ পর্যটকরাই প্রথম ভ্রমণে বেরুবে এবং জাতীয় অর্থনীতিকে সক্রিয় করতে ভুমিকা রাখবে সেহেতু তাদের মতিগতি বুঝা, চাহিদা নিরূপন, পর্যটন পণ্য উন্নয়ন ও বিপণন কৌশল নির্ধারণের জন্য নির্ভরযোগ্য তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ এবং ব্যাপক গবেষণা কাজ চালানোর ব্যবস্থা করা।
• পর্যটন শিল্পকে অগ্রাধিকার খাত হিসেবে ঘোষণা দিয়ে শিল্প সহায়ক সুবিধাসহ কেন্দ্রীয়ভাবে প্রাপ্য সব সুযোগ সুবিধা প্রাপ্তি নিশ্চিত করা।
• পর্যটন পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে যে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ইত্যাদিতে অহেতুক কালক্ষেপণ এবং প্রশাসনিক ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা পরিহার করা।
• ইউ এন ডাবলু টি ও এবং ডাবলু টি টি সি সহ অন্যান্য বিশ্ব সংস্থা ও দাতা দেশ, প্রতিবেশি দেশ, বেসরকারী খাত ও অন্যান্য মন্ত্রণালয়গুলোর সাথে ধারাবাহিক এবং নিয়মিত ডায়লগ চালানো নিশ্চিত করা।
• পর্যটন অবকাঠামো এবং এম এস এম ই ছাড়াও অন্যান্য ক্ষেত্রে সহায়তা প্রাপ্তির লক্ষে বিশ্ব ব্যাংক, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংকসহ অন্যান্য আঞ্চলিক ব্যাংক ইত্যাদির সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা।
• প্রাথমিকভাবে পার্শবর্তী দেশগুলো এবং পর্যায়ক্রমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সম্ভাব্য পর্যটক সরবরাহকারী দেশগুলোর সাথে পারষ্পরিক সহযোগীতা নিয়ে আলোচনার ব্যবস্থা করা।
• প্রকৃত পর্যটন কর্মী যেমন ট্যুরিস্ট গাইড, ষ্টুয়ার্ড, সার্ভিস ম্যান, হাউসকিপার, সুপারভাইজার, ট্রেইনার, ম্যানেজার ও অন্যান্যদের চিহ্নিত করে তাদেরকে বিশেষ ত্রাণ তহবীল থেকে সাহায্য করা যাতে তারা শেষ পর্যন্ত ঝরে না পড়ে।
• অতিক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারী তথা এম এস এম ই প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বিশেষ তহবীল থেকে অফেরতযোগ্য পুঁজির পাশাপাশি প্রণোদনার ব্যবস্থা করা।
• যেসব প্রতিষ্ঠান সক্ষম এবং টিকে থাকবে কিন্তু পুঁজি হারাবে তাদের মধ্যে যারা ঋণ গ্রহণের যোগ্যতাসম্পন্ন এদের জন্য স্বল্প মেয়াদে ও সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা।
• ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর ইউ্টিলিটি বিল যেমন বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ইত্যাদি ও ট্রেড লাইসেন্স ফি সাময়িক কম মূল্যে ব্যবহার এবং কর, আয়কর, ভেট ইত্যাদি আপদকালীন সময়ের জন্য স্থগিতের ব্যবস্থা করা।
• নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অভ্যন্তরীণ বিমান কোম্পানীগুলো যাতে সাশ্রয়ী মূল্যে জ্বালানী এবং অবতরণ ও অন্যান্য মাশুল রেয়াতী সহায়তায় পরিশোধ করতে পারে সে ব্যবস্থা করা।
• আকাশ পথে ভ্রমণ আরো সহজ ও সাশ্রয়ী করার লক্ষে আপদকালীন সময়ে ভ্রমণ কর, বিমান বন্দর করসহ অন্যান্য কর হ্রাস এবং প্রবেশ সুবিধাদি যেমন ভিসা, ইমিগ্রেশন, ব্যাগেজ রুল ইত্যাদি সহজীকরণের ব্যবস্থা করা।
• ভোক্তা বা পর্যটকদের জন্য মানসম্পন্ন এবং ন্যায্য মূল্যে সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বেসরকারী খাত তথা সেবা প্রদানকারীদের সাথে নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
• প্যাকেজ ট্যুর, বিমান টিকেট, হোটেল কক্ষ সংরক্ষণ ইত্যাদি বুকিং এর ভাউচার বাতিলের মেয়াদ ২০২০ সালের শেষ পর্যন্ত বর্ধিত করা।
• ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে যেকোন অগ্রিম প্রদান ফেরত পাওয়া সংক্রান্ত জটিলতার বিষয়টি ন্যায্যতার সাথে সুরাহা করা।
• ইউ এন ডাবলু টি ও এর অন লাইন একাডেমীসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সহায়তা নিয়ে বিনামূল্যে পর্যটন উন্নয়ন ও বিপণন বিষয়ে প্রশিক্ষণের সুযোগ নেয়ার ব্যবস্থা করা।
• পর্যটন পণ্য উন্নয়ন ও বিপণন এর সাথে বিপণন মেধা ও ডিজিটাল দক্ষতা বাড়ানোর জন্য বর্তমান এবং ভবিষ্যত পেশাজীবিদের জন্য উন্নতমানের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।
• পর্যটন শিল্পে বর্তমান সময়ে এবং ভবিষ্যতে দক্ষ জনবল সৃষ্টির লক্ষে পর্যটন ব্যক্তিত্ব, বিশ্ববিদ্যালয়, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, ডিজিটাল প্লেয়ার, চেম্বার অব কমার্স এবং পর্যটন সমিতিগুলোর সাথে অংশিদারিত্ব স্থাপন করা।
• নতুনভাবে স্বাস্থ্য বিধিসহ নতুন আচরণ বিধি তথা নিয়মকানুন মেনে কাজ করার উপযোগী করে গড়ে তুলার লক্ষে দক্ষ ও অভিজ্ঞ পর্যটন কর্মী এবং পর্যটন প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগীতায় অনলাইন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।
• কর্মসংস্থান এবং নতুন পর্যটন পণ্য বিপণন আরো আকর্ষণীয়, পরিচিত ও সহজলভ্য করার লক্ষ্যে অনলাইন ভিত্তিক মেলার ব্যবস্থা করা।
• পর্যটন কর্মী, পর্যটন সেবা প্রতিষ্ঠান এবং পর্যটক সবাই যাতে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিধির আলোকে তৈরী স্বাস্থ্য বিধি ও আচরণ বিধি যথাবিহিত মেনে চলে সে ব্যবস্থা করা। এক্ষেত্রে সবার জন্য আলাদা আলাদা আচরণ বিধি তৈরী করে দেয়া এবং ব্যাপক প্রচার চালানো।
• প্রাথমিকভাবে নির্দিষ্ট কয়েকটি পর্যটক আকর্ষণীয় এলাকা বা গন্তব্যে স্বাস্থ্য বিধি ও আচরণ বিধি পুরোপুরি মানা সাপেক্ষে পরীক্ষামূলকভাবে পর্যটক আগমনের ব্যবস্থা করা। এজন্য প্রতিটি পর্যটক গন্তব্যের ধারণ ক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে পৃথকভাবে পর্যটক আগমনের সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দেয়া।
• পর্যটক গন্তব্যগুলোতে বেঁধে দেয়া নিয়ম মেনে সার্বিক পর্যটন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে কি না তা মনিটরিং বা নিরিক্ষণের জন্য কেন্দ্রীয় ও অঞ্চল তথা পর্যটক গন্তব্য ভিত্তিক শক্তিশালী কমিটি গঠন করা।
• যেসব পর্যটন প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানী নতুন স্বাস্থ্য ও আচরণ বিধি মেনে পর্যটন কার্যক্রম চালিয়ে আরো অধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পর্যটক আকর্ষণে সক্ষম হবে তাদের জন্য ক্ষুদ্র ঋণ, বিশেষ আর্থিক সহায়তা ও কর সুবিধা দেয়ার ব্যবস্থা করা।
• সবার কথা শুনা নিশ্চিত করার লক্ষে পর্যটন কর্মীদের সমিতি, পর্যটন ব্যবসায়ীদের সমিতি, পর্যটন ব্যক্তিত্ব এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে “সিটিজেন প্লাটফরম” গঠনের ব্যবস্থা করা।
• আপোদকালীন পদক্ষেপ ও ঝুঁকি মোকাবেলা থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা এবং অভিজ্ঞতার আলোকে সিদ্ধান্ত নেয়ার সুবিধার্তে নিয়মিত সার্বিক পুনর্মূল্যায়নের ব্যবস্থা করা।
• ভোক্তা বা পর্যটকদের মনোবল বৃদ্ধি এবং জনসাধারণের উচ্চ ধারণা পর্যটনের পক্ষে রাখার লক্ষে নির্ভরযোগ্য ও সর্বশেষ খবরাদি নিয়মিত প্রচারের জন্য ব্যাপকভাবে গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করা।

সর্বোপরি, সরকারের আন্তরিকতার প্রতিফলন হিসেবে করোনা আক্রান্ত পর্যটন শিল্পকে বাঁচিয়ে আবার তার নিজ গতিপথে ফিরিয়ে আনার লক্ষে গোটা বিশ্ব যে দিক নির্দেশনা কাজে লাগাচ্ছে বা লাগাবে তা তাকেও কাজে লাগাতে হবে। এজন্য তাকে এই শিল্পের অভিবাবক হিসেবে তার প্রত্যেকটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গকে সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে। মনে রাখতে হবে,সরকার জনগনের শুধু ভরসাস্থলই নয় বিশ্বাসযোগ্যতারও প্রতীক। কেননা রাষ্ট্রের জনগন ও সম্পদ সরকারের হাতে পবিত্র আমানত, যা রক্ষার শপথ সে নিয়েছে। তবে, এজন্য সরকারী খাতকে বেসরকারী খাতসহ শিল্পসম্পৃক্ত সবাই এবং সর্বোপরি জনগনকেও প্রয়োজনীয় সহযোগীতা করতে হবে।

মো. জামিউল আহমেদ
পর্যটন ব্যাক্তিত্ব ও বিশেষজ্ঞ

Leave a Reply

Your email address will not be published.