নারীবান্ধব পর্যটন নীতি সৌদি আরবে

Share on Facebook

শুধুমাত্র তেল
রপ্তানির ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে পর্যটনের খাতের উপরও গুরুত্ব দিচ্ছে সৌদি আরব।
অর্থাৎ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে পর্যটন খাত থেকে বড় অংকের অর্থ উপার্জন করতে চায় দেশটি। গত সপ্তাহে ৪৯ টি দেশের পর্যটকদের জন্য নিজের দরজা উন্মুক্ত করে দেয় সৌদি
আরব।

বিদেশী পর্যটকদের আকৃষ্ট
করতে তারা অনেক নিয়মই শিথিল করেছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। সৌদি
আরবে বিদেশী নারী ও পুরুষের ক্ষেত্রে বিরল এক সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে। এর অধীনে বিদেশী কোনো নারী ও পুরুষ বৈবাহিক সম্পর্কে জড়িত না
থাকলেও
একসঙ্গে হোটেলের একটি রুমে অবস্থান করতে
পারবেন। এ জন্য তাদের মধ্যে কি সম্পর্ক তার প্রমাণ
দিতে হবে না। পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে নতুন পর্যটন ভিসা চালুর পর রক্ষণশীল সৌদি আরবের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে
কৌতুহলের
সৃষ্টি হয়েছে।

আইনের এই সংস্কারের বিষয়টি
শুক্রবার
প্রকাশ করেছে আরবী ভাষার পত্রিকা ওকাজ।
এরপর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সৌদি কমিশন ফর টুরিজম
অ্যান্ড ন্যাশনাল হেরিটেজ। তারা বলেছে, সৌদি
আরবের সব
নাগরিককে হোটেল বুকিং দেয়ার ক্ষেত্রে বা
হোটেলে অবস্থানকালীন তাদের পারিবারিক পরিচয়পত্র
অথবা সম্পর্কের প্রমাণ চাওয়া হবে। তবে বিদেশী পর্যটকদের জন্য তা বাধ্যতামূলক নয়। আইডি বা পরিচয়পত্র দেখিয়ে
হোটেলে একা
থাকার জন্য বুকিং দিতে পারবেন সৌদি
আরবের যেকোনো নারী।

এর আগে গত বছর সরকার নারীদের
গাড়ি চালানোর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে তীব্র সমালোচনার মুখোমুখি হয়। তারপরেও
পর্যটন খাতের উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে বিদেশীদের পুরো
শরীর ঢেকে বোরকা পরার
নীতিও শিথিল করেছে। তবে বলা হয়েছে, তাদেরকে অবশ্যই শালীন পোশাক পরতে হবে। এ ছাড়া মদ পান নিষিদ্ধই থাকবে। এই দেশটির দরজা বহু দশক ধরে বিদেশীদের
জন্য উন্মুক্ত
ছিল না। কোনো রকম পারিবারিক সম্পর্ক নেই
এমন নারী ও পুরুষ,
বিদেশীসহ প্রকাশ্যে মেলামেশা করার জন্য কঠোর শাস্তির বিধান ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published.